একই সপ্ন বাড়ির পাঁচ জনেই দেখছে। গত ২ মাস থেকে বাড়ির ছাদের উপর শনি ও মঙ্গলবারে করে কখনো লাল কখনও হলুদ সুতা দেখতে পাওয়া যায় যা সমস্ত বাড়িকে ঘিরে রাখে। ঘুড়ির সুতা মনে মনে করে প্রথমে কেউ কিছু মনে করেনি। তার পরে যখন লক্ষ করলো সুধুমাত্র শনি ও মঙ্গলবারেই পাওয়া যাচ্ছে এভাতে নিদৃষ্ট পদ্ধতিতে আর নিদৃষ্ট দিনে ঘুড়ির সুতা বাড়িকে ঘিরতে পারেনা। সেই সুতা দেখার পর নিশ্চিত হলাম এটা কাকতালিও ভাবে করা হয়নি আবার এইভাবে এতো বিস্তির্নভাবে মানুষের পক্ষে সুতা ঘের দেওয়া সম্ভব না। বাড়িতো দোতলা। এই সুতা পাশের বাড়ির একজন সাহসী মহিলা নিজেই উপযাচক হয়ে ছিড়ে দিয়েছিলো। এটা জানার পর বললাম যে ছিড়েছে সে যদি অসুস্থ হয় তাহলে আমাকে জানাবেন আর আপনাদের অন্য কোন সমস্যা হলে জানাবেন। প্রায় দুসপ্তাহ পর খবর আসলো যিনি সুতা ছিড়েছিলেন তিনি অসুস্থ। চিকিসকের কাছে কোন রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছেনা। রোগী নিজেই আমার বাড়িতে এসেছিলো তার কারন আমি আগেই বলেছিলাম এই এই সমস্যা হতে পারে। আমার প্রশ্নের তালিকা দিলাম। রুকিয়াহ করে মনে হলো জ্বীন আছে সময় দিলাম অভিভাবকের সামনে রকিয়াহ করার। সময় মতো রুকিয়াহ করলাম কিছু হলো না সুস্থবোধ করছে। খাবার ও গোসলের পানি দিলাম। পানি খেয়েছে কিন্তু গোসল করেনি। বুঝলাম সেই জ্বীন গোসল করতে দেয়নি। জ্বীন আছে নিশ্চিত হয়ে রুকিয়াহ করলাম জ্বীন হাজির হলো। পরিচয় দিলো সে কালি তাকে পাঠানো হয়েছে আরো ৪-৫ জনের নাম বললো এদেরকে এক এক করে মারবো আগে এই মহিলা ও তার স্বামিকে। শেষে বাধ্য হয়ে তাকে জবাই করা হলো। আলহামদুলিল্লাহ এখন পর্যন্ত তিনি সুস্থ। যাদু করে কোন জ্বীন পাঠানো হলে সহজে যেতে চায়না। উল্টা আপনাকে ভয়ভিতি দেখাবে আর রুকিয়াহ করার সময় এমন ভাব করবে হাসবে আপনাকে টিটকারি করবে যেন আপনার কাছে মনে হয় তার কিছুই হচ্ছেনা। বাস্তবে সে শুধু আপনার বিশ্বাস পরিক্ষা করার জন্যই এমনটি করে আপনার মন্যে সামান্য সন্দেহ সম্পুর্ন পরিশ্রম নষ্ট করে দিয়ে বিপদ ডেকে আনতে পারে। আর যেই বাড়ির উদ্দেশ্যে এটি করা হয়েছিলো তাদের কোন খবর পাইনি কারন তারা নিজেকে পরিবর্তন করতে পারবেনা। নিজেরা কোন আমল করবে না নামাজ পড়বে না, দোয়া জিকির করবে না। সব আমাকে করে দিতে হবে যা আমার নিয়মের বাইরে। এজন্য তাদেরকে ইচ্ছামত কোন মাহাতের কাছে যেতে বলি গেছে কিনা জানিনা। এমন অলস মানুষ না থাকলে তাদের ব্যাবসা চলবে কেমন করে।
